খান আরিফ: নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন কাশিপুর বিল্লুবাড়ি এলাকায় গত ৩১/৭২০২৫ ইং তারিখ একটি চাঞ্চলক্ষের হত্যাকান্ড ঘটনা ঘটে যেখানে লিটন শিকদারকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় এই ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের একটি টিম।
সেখানে হাজির হয় একটি ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে কিছু স্থানীয় জনগণ ও একজন কতিপয় সংবাদ কর্মী কেউ একজনকে আটক করার নির্দেশ দিচ্ছে, আসলে চাইলেই কাউকে আটক করা যায়না বলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার একটি দৃশ্য দেখা যায় পুলিশ টিমের যা কিনা রীতিমতো সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে।
তারই প্রেক্ষাপটে এই হত্যা মামলার সূত্র ধরে কিছু লোকজনকে আটক করা হয়েছে যেখানে নিরপরাধ লোক রয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তবে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার দিন বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন সাক্ষীর জন্য বরিশালের বাহিরে খুলনায় অবস্থান করছিলেন তবে কিছু অসাধু লোক ব্যক্তি স্বার্থে স্বার্থান্বেষী ব্যক্তিবর্গরা সুবিধা গ্রহণের লক্ষ্যে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জাকির হোসেনের নামে মিথ্যা ও বিভ্রান্তি মূলক তথ্য ছড়িয়ে বেড়াচ্ছেন যেখানে দেখানো হয়েছে ওসি জাকির হোসেন আটক বানিজ্য করেছেন।
তবে এ ধরনের কোন তথ্য প্রমাণ কারো কাছে নেই ও না থাকা সত্ত্বেও ওসি জাকির হোসেনের নাম খারাপ ও সম্মান খুন্ন করার লক্ষ্যে একটি কুচক্রী মহল এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নামে এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জাকির হোসেন জানান আইন কে শ্রদ্ধা করে আমি আমার উপ্রস্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী অপরাধের সাথে আপোষ হিন ভাবে একাধিক সফল অভিযান করেছি যাহার কারনে কিছু কিছু লোকজনের অনেক বড় সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে অন্যায়ের বিপক্ষে আপোষহীন থাকার কারণে আমি কারো সাথে সমঝোতা করিনি শুধু আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমি আইনের পক্ষে কাজ করে গেছি তাই।
অপরাধীদের সাথে আপোষ না হওয়ায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচার চালিয়ে বেড়াচ্ছে এই চক্রটি অতএব এসব গুজবে কান না দিয়ে সঠিক তথ্য প্রমাণ সহ আসল ও সত্য ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানালাম সংবাদকর্মীদের প্রতি। তাছাড়াও নিহত লিটু শিকদারের হত্যা মামলার তদন্ত সাপেক্ষে আসল হত্যাকারীদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।