
নিজস্ব প্রতিবেদন,
বরিশাল হোটেল রেস্টুরেন্ট শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক এখলাস বাবুর্চির বিরুদ্ধে নাশকতা ও রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, তিনি সাবেক সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ও শ্রমিকলীগ নেতা পরিমলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক ও মালিকদের কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করেছেন। ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় বরিশাল নগরীর কালিবাড়ি রোডসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত সহিংসতায় তার সরাসরি অংশগ্রহণের প্রমাণ রয়েছে বলে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছেন। তবে এই ঘটনায় অভিযোগের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত পুলিশ তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। স্থানীয়রা আরও জানিয়েছেন, এখলাস রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমের আড়ালে নাশকতা ও অর্থ যোগান প্রদানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি তার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বরিশালের বনমালি গাঙ্গুলির পাশে অবস্থিত আদি রাজ বিলাস বিরিয়ানি হাউজ ব্যবহার করছেন, যা স্থানীয়দের কাছে পরিচিত একটি কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ অভিযোগ করেছেন, “একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা হলেও আইন সকলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত। যেখানে অনেক মানুষ গ্রেফতার হচ্ছেন, সেখানে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।” বরিশালের এই ঘটনায় নিরাপত্তা ও আইনের শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কার্যক্রম unchecked থাকলে তা শহরের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য দেয়নি। তবে বিষয়টি অনুসন্ধান ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।