আল আরাফাহ্ এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ক্যাশিয়ারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ: পরিবারের দাবি এটি গভীর ষড়যন্ত্র।

Khan Arif
প্রকাশিত July 1, 2026, 17:42 PM
আল আরাফাহ্ এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ক্যাশিয়ারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ: পরিবারের দাবি এটি গভীর ষড়যন্ত্র।

{"data":{"product":"tiktok","editingEffectsList":[],"isSaveLocalReupload":false,"is_default_prop":"MA=="}}

আল আরাফাহ্ এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ক্যাশিয়ারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ: পরিবারের দাবি এটি গভীর ষড়যন্ত্র।।

মোঃ হাসিবুল ইসলাম
মহিপুর/কুয়াকাটা প্রতিনিধি।।

​পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারে অবস্থিত আল আরাফাহ্ এজেন্ট ব্যাংকের পাখিমারা আউটলেটে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ওই শাখার ক্যাশিয়ার রিয়াদুল ইসলাম ইউসুফের বিরুদ্ধে। তবে এই অভিযোগকে একপাক্ষিক ও গভীর ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন তার পরিবার। এই ঘটনার  আগ থেকে গত ২০/০৬/২০২৬ তারিখ রিয়াদুল ইসলাম ইউসুফ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার মা মোসাঃতহমিনা,তিনি আরো অভিযোগ করেন, আমার ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পরে কলাপাড়া থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ তার জিডি গ্রহন করে নাই।

কুয়াকাটা রিপোর্টর্স ইউনিটির কার্যলায় ৩০ জুন’২০২৬ (মঙ্গলবার) বিকাল ৪ টায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোসাঃ তহমিনা দাবি করেন, তার ছেলে রিয়াদুল ইসলাম ইউসুফ প্রতিদিনের লেনদেন ও হিসাব ব্যাংকিং নিয়মানুযায়ী সংশ্লিষ্ট শাখা ব্যবস্থাপকের কাছে বুঝিয়ে দিতেন। তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই শুধুমাত্র রিয়াদুল ইসলামকে এককভাবে দায়ী করা সঠিক নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
​অভিযোগে আরও বলা হয়েছে ​ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও গ্রাহকদের উত্থাপিত সার্ভার সমস্যার দাবিটি মনগড়া ও ব্যাংকিং নিয়মবহির্ভূত।

​ব্যাংকের ভল্ট বা লকারের চাবি শাখা ব্যবস্থাপক ও ক্যাশিয়ার যৌথভাবে সংরক্ষণ করেন, তাই এককভাবে ক্যাশিয়ারের পক্ষে অর্থ আত্মসাৎ করা সম্ভব নয়।
​চেক পাশ করার ক্ষেত্রে শাখা ব্যবস্থাপকের অনুমোদন প্রয়োজন হয় এবং ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমেও লেনদেন করা যায়, যা প্রমাণ করে যে এ ধরনের আর্থিক অনিয়মের পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে।

এবিষয়ে পাখিমারা আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক আউটলেট শাখার এজেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান আইয়ুব আলী শরীফ বলেন, এখানে ব্যাংকের দুইজন কর্মকর্তাই জড়িত তবে একজন নিখোঁজ  থাকায় তার নামে থানায় জিডি করা হয়েছে পরবর্তীতে  এই বিষয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এবিষয়ে পাখিমারা শাখার অপারেশন ম্যানেজার রাহাত ইসলাম টাকা আত্মসাতের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,আমার উপরে  আনিত অভিযোগের বিষয় কতৃপক্ষ যে ব্যবস্থা নিবে আমি তা মেনে নিব।
​রিয়াদুলের পরিবার দাবি করেছে, ঘটনার পূর্বে টথেকে রিয়াদুল ইসলাম ইউসুফের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তার নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার চরম উদ্বিগ্ন। রিয়াদুল ইসলাম ইউসুফের মা বলেন প্রশাসনের কাছে আমার ছেলেকে খুঁজে বের করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন....