
নিষেধাজ্ঞা বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তিন চাকার নিষিদ্ধ যান।
চলাচলে মদতদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব। তাঁর অভিযোগ, গাড়ি আটক না করলে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ ওঠে, আবার আটক করলে ঘুষ বা বিটমানি নেওয়ার অভিযোগ করা হয়। তবে এসব অর্থ আদায়ের সঙ্গে পুলিশের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেন তিনি।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক সংগঠন ও রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
বরিশাল বিআরটিএর বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আতিকুর রহমান বলেন, তিন চাকার যানবাহন তৈরির কারখানাগুলোতে একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছে। এতে অনেক কারখানা বন্ধ হয়েছে। মহাসড়কে এ ধরনের যানবাহনের চলাচল বন্ধেও বিআরটিএ অভিযান পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, এসব যানবাহনের কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিআরটিএ।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার আনিসুর রহমান বলেন, বরিশাল নগরীর মধ্য দিয়ে যাওয়া ১১ কিলোমিটার মহাসড়কে বড় যানবাহনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অবৈধ ছোট যানবাহন চলাচল করে। এসব যানবাহনের চলাচল বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। অবৈধ যানবাহন তৈরির কারখানাগুলোতেও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরপরও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বরিশাল নগরীতে ৪০ হাজারের বেশি অবৈধ যানবাহন রয়েছে। এ থেকে মহাসড়কসংলগ্ন উপজেলাগুলোতেও এ ধরনের যানবাহনের সংখ্যা বাড়ার বিষয়টি অনুমান করা যায়। এসব যানবাহন যাতে মহাসড়কে উঠতে না পারে, সে জন্য পুলিশ চেষ্টা করছে। তবে অনেক সময় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব যানবাহন মহাসড়কে উঠে পড়ছে।
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে তিন চাকার যানবাহনের অবাধ চলাচল বন্ধে নিষেধাজ্ঞা, অভিযান ও নজরদারি, সবই রয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ের চিত্র বলছে, এসব উদ্যোগের পরও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি।