অপরদিকে ঘাতক অনিক মণ্ডল টাঙ্গাইলে একটি কলেজে অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী। তিনি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের থানা পিছনের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
হত্যাকাণ্ডের আধা ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক অনিক মণ্ডল কুড়ালসহ থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের পর থানায় এসে ঘটনার বর্ণনা করেছেন ঘাতক অনিক মণ্ডল।
এসময় অনিক জানিয়েছেন, নিহত ফাহিম তার অনেক ক্ষতি করেছে। এ কারণে পূর্বশত্রুতায় তিনি ফাহিমকে খুন করেছেন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানা যাবে।
নিহত যুবকের পরিবার জানায়, সন্ধ্যার পর নানা বাড়ি কোনাবাড়ী থেকে খাওয়া-দাওয়া করে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় ফাহিম। এর ঘণ্টাখানেক পরেই তারা তাকে হত্যার খবর পায়।