
নিজস্ব প্রতিবেদন
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার পাতাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা প্রফুল্ল এখন এলাকায় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। এক সময় দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ডিউক সাহেবের মাছের ট্রলারের মাঝি হিসেবে জীবিকা নীর্বাহ করলেও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার জীবন পাল্টে গেছে নাটকীয়ভাবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রফুল্ল একাধিকবার আইনের জালে জড়িয়েছেন। তার সহযোগী দোলন এক সময় প্রফুল্লকে হত্যাচেষ্টার মামলায় জেল খেটেছিল। অপরদিকে সূত্র বলছে প্রফুল্ল নিজেও স্বর্ণ চোরাচালানির মামলায় তিনবার কারাভোগ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে প্রফুল্লের বর্তমান আর্থিক অবস্থান দেখে অনেকে বিস্মিত! জানা গেছে, তিনি এখন পটুয়াখালী’র মুকুল সিনেমা হল রোডে তিন কাঠা জমির ওপর একটি দশতলা ভবনের মালিক। এছাড়া তার নামে দুইটি বিলাসবহুল টলার (ট্রলার) রয়েছে।
স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, প্রফুল্লের এই বিপুল সম্পদের উৎস স্পষ্ট নয়। কেউ বলছেন, বিদেশে থাকা আত্মীয়দের সহায়তায় তিনি এই সম্পদ গড়ে তুলেছেন, আবার কেউ কেউ অভিযোগ করছেন যে এই সম্পদ এসেছে অবৈধ পথে তথা চোরা চালানি ব্যবসার মাধ্যমে।
প্রফুল্লের গ্রামের বাড়ি পাতাবুনিয়ায় তার নতুন পাকা দোতলা বাড়ি নিয়েও চলছে আলোচনা। এলাকায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন — এক সময়ের মাঝি কীভাবে এত অল্প সময়ের মধ্যে কোটি টাকার মালিক হলেন?
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় কর্তা ব্যক্তির সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তারা বলেন, প্রফুল্লের অতীত ও বর্তমান কর্মকাণ্ড তারা পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজনে তার সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখা হবে।