• ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরগুনায় ভুয়া চিকিৎসক ধরতে অভিযানে চারজন গ্রেপ্তার—দু’জনকে কারাদণ্ড, দু’জনকে অর্থদণ্ড

Khan Arif
প্রকাশিত নভেম্বর ২২, ২০২৫, ১৮:০১ অপরাহ্ণ
বরগুনায় ভুয়া চিকিৎসক ধরতে অভিযানে চারজন গ্রেপ্তার—দু’জনকে কারাদণ্ড, দু’জনকে অর্থদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদন,

বরগুনা শহরে ভুয়া সাইনবোর্ড ও পরিচয় ব্যবহার করে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার অভিযোগে চার ভুয়া চিকিৎসককে আটক করে শাস্তি প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) রাতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. শরিয়ত উল্লাহর নেতৃত্বে বরগুনা পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় সামারি ট্রায়াল পরিচালনার মাধ্যমে এ দণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানে সিভিল সার্জন অফিসের প্রতিনিধি ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বরগুনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে—জহিরুল ইসলাম সৌরভকে গুরুতর অপরাধ বিবেচনায় এক বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড,সুজন চন্দ্র লস্করকে জরিমানা পরিশোধে অক্ষম হওয়ায় ছয় মাসের কারাদণ্ড,

বিধান রঞ্জন সরকার ও দিলীপ কুমার দাসকে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০–এর ২২ ধারা অনুযায়ী এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

আদালত সূত্র জানায়, বরগুনা শহরের ফার্মেসি পট্টি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া সাইনবোর্ড ব্যবহার করে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। সামারি ট্রায়াল চলাকালে তিনজন দোষ স্বীকার করেন— তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। তবে সুজন চন্দ্র লস্কর জরিমানা পরিশোধ করতে না পারায় তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অন্যদিকে জহিরুল ইসলাম সৌরভ দোষ অস্বীকার করায় এবং তার বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ মেলায় তাকে এক বছর ছয় মাসের অধিক কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বেঞ্চ সহকারী মো. কামাল হোসেন বলেন,“সামারি ট্রায়ালের সময় ভুয়া সাইনবোর্ড ও পরিচয় ব্যবহার করে রোগীদের প্রতারণার প্রমাণ পাওয়া গেছে। আইন অনুযায়ী চারজনের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, ভুয়া চিকিৎসকদের কারণে সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে—এ ধরনের প্রতারণা প্রতিরোধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে আদালত ইঙ্গিত দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন....