• ৪ঠা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাঠালিয়ার ২ হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ঢাকায় গ্রেফতার।

Khan Arif
প্রকাশিত জুন ১৯, ২০২৬, ২০:৫২ অপরাহ্ণ
কাঠালিয়ার ২ হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ঢাকায় গ্রেফতার।

{"data":{"product":"tiktok","editingEffectsList":[],"isSaveLocalReupload":false,"is_default_prop":"MA=="}}

কাঠালিয়ার ২ হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ঢাকায় গ্রেফতার।
আসাদুজ্জামান সোহাগ,

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার চাঞ্চল্যকর দ্বৈত হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ইদ্রিস শিকদারকে ঢাকার একটি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে তাকে আটক করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ইদ্রিস শিকদার ও তার ভাই কুদ্দুস শিকদারের সঙ্গে প্রতিবেশী ফারুক জমাদার, কবির জমা

দারসহ কয়েকজনের বিরোধ চলছিল। তদন্তে উঠে আসে, প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে ইদ্রিস শিকদার ও তার ভাই কুদ্দুস শিকদার নিজেদের পরিবারের সদস্যদের হত্যার ঘটনা ঘটিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ইদ্রিস শিকদার ও কুদ্দুস শিকদার মিলে ইদ্রিসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী শেফালী বেগম এবং তার আপন বড় ভাই মানিক শিকদারকে হত্যা করেন। পরে নিহতদের মৃত্যুর জন্য ফারুক জমাদার, কবির জমাদারসহ ৫/৬ জন প্রতিবেশীকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

তবে তদন্তে স্থানীয় পুলিশ প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বাদী হয়ে ইদ্রিস শিকদার ও কুদ্দুস শিকদারের বিরুদ্ধে পৃথক হত্যা মামলা দায়ের করে এবং পূর্বে অভিযুক্ত প্রতিবেশীদের অব্যাহতি দেওয়া হয়।

মামলার বিচার শেষে ঝালকাঠির বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালত দুই ভাই ইদ্রিস শিকদার ও কুদ্দুস শিকদারকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। সাজাপ্রাপ্ত কুদ্দুস শিকদার বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অন্যদিকে ইদ্রিস শিকদার প্রায় দুই বছর কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়ে আত্মগোপনে চলে যান।

দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর অবশেষে তাকে ঢাকায় গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, এ মামলাটি কাঠালিয়া উপজেলায় ব্যাপক আলোচিত ছিল এবং দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার পর প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটিত হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন....