• ৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এমদাদিয়া কাশেমুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক প্রতিযোগিতা ২০২৬ সম্পন্ন

Khan Arif
প্রকাশিত মার্চ ২, ২০২৬, ১৮:৪৪ অপরাহ্ণ
এমদাদিয়া কাশেমুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক প্রতিযোগিতা ২০২৬ সম্পন্ন

​নুরুল্লাহ সিকদার,

ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের লক্ষ্যে ২০২৬ সালে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এমদাদিয়া কাশেমুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান। উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা মো. মনিরুল ইসলাম, সুপার, নলশ্রী জালিস মাহমুদিয়া দাখিল মাদ্রাসা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মো. মাহমুদুল হাসান, মুহতামিম, এমদাদিয়া কাসেমুল উলুম নূরানী মাদ্রাসা। অতিথিবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, একজন শিক্ষার্থীর জীবনে সহশিক্ষা কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, জ্ঞানচর্চা ও নৈতিক মান উন্নয়নে সহায়ক।

​অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাত, ইসলামি সংগীত, কিরাত, সাধারণ জ্ঞান ও বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখে। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

​মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মো. মাহমুদুল হাসান তাঁর বক্তব্যে বলেন, আধুনিক ও ধর্মীয় শিক্ষার সমন্বয়ে আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তুলতে মাদ্রাসা সবসময় কাজ করে যাচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

​পুরো আয়োজনটি অত্যন্ত সুনিপুণ ও সাবলীলভাবে উপস্থাপনা করেন মো. মমিনুল। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন মো. ইসমাইল, যাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

​শেষে প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

​শিক্ষার্থীদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও উপস্থিত সবার সন্তুষ্টি প্রমাণ করে যে, এমদাদিয়া কাশেমুল উলুম মাদ্রাসা শুধু শিক্ষাদানেই নয়, বরং নৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন....