
হিজবুল্লহ্ সম্রাট: বরিশাল নগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদর রোড ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডের নবগ্রাম রোডে গড়ে ওঠা বিলাসবহুল দুটি ভবন এবং ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাটের মালিক সাবেক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমানকে নিয়ে জনমনে উঠেছে নানা প্রশ্ন। সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় কীভাবে তিনি শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক হলেন তা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি সরকারি জমি দখল করে রাস্তার ওপর প্রাচীর নির্মাণ করেছেন। বিশেষ করে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের আমজেদ লেনে নির্মিত প্রাচীরের কারণে ওই লেনে জরুরি প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স কিংবা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই এলাকার শতাধিক পরিবারের বাসিন্দারা। জানা গেছে, লেনটির দৈর্ঘ্য প্রায় আধা কিলোমিটার।
সেখানে অন্তত ১০০টি পরিবার বসবাস করে। কিন্তু প্রাচীরের কারণে এলাকাটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বারবার অভিযোগ দিলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। মিজানুর রহমান বরিশালে চাকরি থাকা অবস্থায় নগরীর বিভিন্ন স্থানে জমি কিনে গড়ে তুলেছেন বহুতল ভবন। ঢাকাতেও তার নামে এবং বেনামে একাধিক বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
জনগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ( ডিজিএম) হয়ে কীভাবে এত সম্পদের মালিক হলেন তিনি? বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নজরে আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয়রা দ্রুত প্রাচীর অপসারণ ও স্বাভাবিক পথচলার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মিজানুর রহমানের সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।