{"data":{"product":"tiktok","editingEffectsList":[],"isSaveLocalReupload":false,"is_default_prop":"MA=="}}

বরিশালে জমি সংক্রান্ত বিরোধে পুলিশ সদস্যের পরিবারে হামলা, উল্টো মিথ্যা মামলার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিনিধি:বরিশাল সদর উপজেলার ১০ নম্বর চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভেদুরিয়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি পুলিশ পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় আহতরা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। এদিকে ঘটনার পর উল্টো আহতদের নামে আদালতে মিথ্যা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভেদুরিয়া গ্রামের মৃত শাহ আলম মীরার ছেলে ইমরান মীরা (৩০) ও তার আরেক ভাই বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত আছেন। তাদের বোন বিবাহিত হওয়ায় বাড়িতে তাদের মা একাকী বসবাস করেন। চার বছর আগে শাহ আলম মীরা মারা যাওয়ার পূর্বে তার আপন ভাই আনিছুর রহমান মীরার কাছ থেকে ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। ক্রয়ের পর থেকেই জমিটি শাহ আলমের পরিবারের দখলেই রয়েছে।তবে শাহ আলম মীরার মৃত্যুর পর থেকে চাচা আনিছুর রহমান মীরা ওই জমি জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে আসছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার শালিস-মীমাংসা হলেও আনিছুর রহমান তা অমান্য করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী পরিবারটি আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালত তাদের পক্ষে রায় প্রদান করেন।আদালতের রায় পাওয়ার পরেও আনিছুর রহমান, তার ছেলে আতিকুর মীরা এবং মেয়ে নাদিয়া আক্তার জমিটি দখলের পাঁয়তারা চালাতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ জুন ২০২৬, রোজ শনিবার আনিছুর রহমানের পক্ষ থেকে জমি দখলের চেষ্টা করা হলে ভুক্তভোগীরা বন্দর থানায় খবর দেন।অভিযোগ রয়েছে, থানা পুলিশের উপস্থিতিতেই আনিছুর রহমান ও তার সন্তানরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে ইমরান মীরার পরিবারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়িতে বেড়াতে আসা ইমরান মীরার ফুফাতো ভাই সুজন কাজীর মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেয়। এতে তার মাথা ফেটে গুরুতর জখম হয়। সুজন কাজীসহ আহত অন্যদের উদ্ধার করে দ্রুত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।আহত পুলিশ সদস্য ইমরান মীরা বলেন, “আমার বাবা জমি কিনে যাওয়ার পর থেকেই চাচা আমাদের জমি দখল করতে চান। আদালতে আমরা রায় পাওয়ার পরও তারা আইন মানছেন না। শনিবার পুলিশের সামনেই তারা আমাদের ওপর নৃশংস হামলা চালায়। আমার ফুফাতো ভাইয়ের মাথা কুপিয়ে দ্বিখণ্ডিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। অথচ এখন আমাদের হয়রানি করতে উল্টো আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৪)(খ)/৩০ এবং দণ্ডবিধি আইনের ৩২৩/৩০৭/৫০৬(২) ধারায় সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো মামলা দায়ের করা হয়েছে।”স্থানীয় বাসিন্দারাও ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এই মিথ্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।